হিফজুর রহমান তালুকদার জিয়া::
জগন্নাথপুরে মোবাইল মার্কেট চুরি হওয়ার ৪ মাস পর আইফোন ১৪প্রম্যাক্স দিরাই উপজেলা থেকে উদ্ধার করা হয় । সূত্র জানায় জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের (এসআই) সাত্তার হাসান প্রযুক্তির মাধ্যমে দিরাই উপজেলার একজন দুবাই প্রবাসীর কাছ থেকে আইফোন ১৪প্রম্যাক্স ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করার সময় প্রবাসী ব্যক্তি জানান আমি দুবাই জমজম আল মদীনা ইলেকট্রনিকস এল. এল. সি সপ থেকে ফোনটি ২২৫০ দেরহাম দিয়ে কিনেছি প্রমাণ হিসেবে তিনি জমজম আল মদীনা ইলেকট্রনিকসের একটি রশিদ দিয়েছেন। উদ্ধার করা ফোনটি (১০/৬/২৫ ইং) জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে রাফি টেলিকমের প্রো: শেখ কামরান এর ভাগনে ইমনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উল্লেখ্য গত ১৮/২/২৫ ইং সকাল ৮ ঘটিকায় থানা পুলিশের একেবারে কাছাকাছি জগন্নাথপুর সদর বাজারের মোবাইল মার্কেটের তিনটি দোকানে মাস্ক পরা চার, পাঁচজন দুর্বৃত্ত তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা মোবাইল সহ প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। চুরি হওয়ার এখন পর্যন্ত জগন্নাথপুর থানা পুলিশ কাউকে সনাক্ত করতে পারেনি এমনকি একটি ফোনও উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। চুরির ঘটনায় রাফি টেলিকমের প্রো: কামরুজ্জামান কামরান এ দিনই অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী কামরান বলেন, ঘটনার পর জগন্নাথপুর থানা পুলিশের কোনো তৎপরতা দেখতে পাইনি। তাই আমার পরিচিত একজন এসআইয়ের সহযোগিতায় যেসব ফোনের আইএমইআই নম্বর জানা ছিল, সেগুলোর প্রযুক্তি ব্যবহারে ট্র্যাক করি। এভাবে চার মাস পর প্রায় লাখ টাকা মূল্যের একটি আইফোন দিরাই উপজেলার এক দুবাই প্রবাসীর কাছ থেকে উদ্ধার করি। ওই প্রবাসী জানিয়েছেন আমি দুবাইয়ের জমজম আল মাদিনা নামের একটি দোকান থেকে মোবাইলটি প্রায় ২২৫০ দেরহাম বাংলার প্রায় ৮০ হাজার টাকায় কিনেছি এবং রশিদও এনেছি। চুরির ঘটনা জানার পর প্রবাসী নিজেই ফোনটি ফেরত দেন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে কামরান দৈনিক দেশ বাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আমি আমাদের জগন্নাথপুর থানা পুলিশের সাথে দীর্ঘদিন যোগাযোগ করেও চুরির সাথে জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়নি থানা পুলিশ।
এসএ টেলিকমের মালিক সুহেল মিয়া, দৈনিক দেশ বাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায়, সিসিটিভির ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত থানা পুলিশের কোনো জোরালো ভূমিকা না থাকায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রূপ মিয়া এ প্রতিনিধিকে বলেন, চুরির সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও মোবাইল উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পুলিশের প্রতি আহবান জানান। না হয় ব্যবসায়ীরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জগন্নাথপুর থানার (এসআই) শাহ আলম দৈনিক দেশ বাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্ত করছি এবং চোরদের শনাক্তে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মুখে মাস্ক থাকায় সনাক্ত করতে সময় লাগছে, যেহেতু একটি ফোন উদ্ধার হয়েছে, তার সূত্র ধরে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে আরো জোরালোভাবে তদন্ত চালিয়ে যাব।
Leave a Reply