সিলেট প্রতিনিধি::
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ও লকডাউনের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ১নং মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের গরীব-দুস্থ ২৭০ পরিবারের মাঝে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন সিলেট ৩-আসনের (দক্ষিণ সুরমা,ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের একাংশ) উপ-নির্বাচনে এমপি পদপ্রার্থী জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য জনাব আতিকুর রহমান আতিক।
শুক্রবার ২৩ এপ্রিল বিকেলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ১নং মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের স্থানীয় মকন দোকান সংলগ্ন হামিদা খাতুন শিশু বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গরীব-দুস্থ ২৭০ পরিবারের মাঝে এই ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন জাপার নেতৃবৃন্দরা ।
হামিদা খাতুন শিশু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খছরু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা জাতীয়পার্টির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বাশির আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা জাতীয়পার্টি সাবেক ভারপাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব মঈন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জাতীয়পার্টির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম মুশেদ খান ও জাতীয়পার্টির সিলেট জেলা শাখার সাবেক দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা জাতীয়পার্টি সাবেক আহবায়ক হোসেন আহমদ, সিলেট জেলা যুব সংহতির সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর খান, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুব সংহতির বর্তমান আহব্বায়ক আক্তার হোসেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, আল হাছান, আঃ মালেক, মামুন, এমরান, জমির হোসেন, আফরোজ মিয়া, আকবর হোসেন, আঃ খালিক, শানুর মিয়া, রফিক মিয়া, খছরু মিয়া প্রমূখ।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট জেলা জাতীয়পার্টি সাবেক ভারপাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব মঈন বলেন, “আতিকুর রহমান আতিক ভাইয়ের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ আছে। প্রতিদিনই আমরা দক্ষিণ সুরমা,ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের একাংশের প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে গরীব-দুস্থ মানুষের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছি। আপনারা সবাই আতিকুর রহমান আতিক ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।”
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে অতিথির বক্তব্যে সিলেট জেলা জাতীয়পার্টির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বাশির আহমদে বলেন, আতিকুর রহমান আতিক ভাই গতবছরে করোনা প্রথম ঢেউ মোকাবিলায় প্রায় ৪৪ হাজার গরিব-দুস্থদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। দক্ষিণ সুরমা,ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মধ্যস্থানে যেকোন একটি জায়গা নিধারণ করে একটি খেলার স্টেডিয়াম তৈরি করাই হচ্ছে আতিকুর রহমান আতিক ভাইয়ের প্রথম সপ্ন। যাতে দক্ষিণ সুরমা,ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের মানুষরা খেলাধুলার একটি অবস্থানে থাকতে পারে।
Leave a Reply