জগন্নাথপুর প্রতিনিধি::
জগন্নাথপুর উপজেলার নলজুর নদীর পাড়ে হবিবপুর গ্ৰামের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী চোট মিয়া সানলাইট আবাসিক হোটেল ( বোডিং) নির্মান করেন। এক সময় আবাসিক হোটেল হিসাবে পরিচালিত হলেও বর্তমানে হোটেলটি অবকাঠামো পরিবর্তন করে মালিক পক্ষ ব্যাচালার বাসা হিসাবে ভাড়া প্রদান করে আসছেন। নলজুর নদীর ওপর আর্চ গার্ডার ব্রীজ নির্মানকালীন সময় ২০২১ সালে সানলাইট বোডিং এর পাশে থাকা ৩৩ কেভি ও ০.৪ কেভি বিদ্যুৎ লাইনসমূহ সাময়িক ভাবে স্থানান্তর করা হয় এবং মাটির নিচ দিয়ে লাইন স্থাপন করা হয়।
জগন্নাথপুর আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর সূত্রে জানাযায়, আর্চ গার্ডার ব্রীজ নির্মানকালীন সময় বিদ্যুৎ লাইন সাময়িক ভাবে স্থানান্তর করার পর সানলাইট বোডিং পূর্বস্তিত বিদ্যুৎ লাইনের রাইট অব ওয়ে বরাবর ভবনের সামনের অংশ তৃতীয় তলা নির্মান করেন। অবৈধ অংশ অপসারন করার জন্য সাইলাইট বোডিং এর সত্ত্বাধিকারী / দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিকে ২১ জানুয়ারী ২০২৬ইং তারিখে আবাসিক প্রকৌশলী মোঃ আজিজুল ইসলাম আজাদ স্বাক্ষরিত লিখিত ভাবে নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশে বিদ্যুৎ আইন অনুযায়ী রাইট অব ওয়ে এলাকায় স্থাপিত যে কোন স্থাপনা অবৈধ ও অপসারণ যোগ্য বলে উল্লেখ করেন।
নোটিশে আরো উল্লেখ করেন ,ব্রীজ নির্মানকালীন সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার স্বার্থে সানলাইট হোটেল সংলগ্ন বিদ্যুৎ লাইন সাময়িকভাবে ভূগর্ভস্থ ( মাটির নিচ দিয়ে) স্থাপন করেন বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। এই সুযোগে সানলাইট হোটেল মালিকপক্ষ ভবনের সামনের অংশ তৃতীয় তলা পর্যন্ত অবৈধভাবে সম্প্রসারন করে। যার ফলে বর্তমানে পূর্বের ন্যায় বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। মালিক পূর্বস্থিত বিদ্যুৎ লাইনের রাইট অব ওয়ে বরাবর ভবনের সামনের অংশ তৃতীয় তলা পর্যন্ত অবৈধভাবে সম্প্রসারন করেছে, যা বিদ্যুৎ অবকাঠামোর নিরাপত্তা ও পুনঃস্থাপন কার্যক্রমে সরাসরি প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টি করছে। ভবনটি ওভারহেড লাইনের রাইট অব ওয়ে দখল করার পাশাপাশি আন্ডারগ্রাইন্ড কেবলের উপর স্থায়ী কাঠামো (বিম,স্ল্যাব,ফ্লোর) ইত্যাদি নির্মান করেছে যা ভূগর্ভস্থ লাইনের ফল্ট নিরসনকে সম্পূর্ণরূপে বাধাগ্রস্থ করবে।
নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে নিজ উদ্যোগে ভবনের অবৈধ অংশ অপসারন করে লিখিত ভাবে অবগত করার জন্য বলাহয়েছে অন্যথায় বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Leave a Reply