মেঃ মুকিম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের বাংলাবাজার উত্তরের হাওরে দরগাপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন এর উদ্যোগে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর এই প্রতিযোগিতা দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, কিশোর-কিশোরী ভীড় করেন। তবে প্রতিযোগিতার ধারাভাষ্যকারের মুখ থেকে অশালীন ভাষায় কথা শুনতে পেরে উৎসুক জনতা মনির উদ্দিন এর প্রতি অসন্তুষ প্রকাশ করেছেন। দরগাপাশা ইউনিয়নের বাংলা বাজারের উত্তরের হাওরে এই নৌকা বাইচের আয়োজন করে বুড়মপুর, হলদারকান্দি, বীরকলস ও আমরিয়া গ্রামবাসী।
এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে প্রতিযোগিতায় প্রথম ও দ্বিতীয় তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন দরগা পাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মনির উদ্দিন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টি উপেক্ষা করে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা দেখতে আসে হাজার হাজার বিনোদন প্রেমীরা। বাইচের নৌকার বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দ আর মাঝি মাল্লাদের নাচ গানে মুখরিত ডাউকা নদী। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় চারিদিকে পানি থৈ থৈ করছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর নৌকা বাইচ দেখতে শিশু কিশোর, যুবক যুবতী এবং বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সীরা নৌকা, বাড়ির ছাদে, রাস্তায়সহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিনোদন উপভোগ করেছেন। প্রচুর পরিমাণ বিনোদন প্রেমীদের দেখে প্রতিযোগীদের মধ্যেও আনন্দ আরও বেড়েছে। নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন এলাকার —-টি নৌকা অংশগ্রহণ করে।
নৌকা বাইচ দেখতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, প্রতিযোগিতার ধারাভাষ্যকারের মুখ থেকে অশালীন ভাষায় কথা শুনতে পেরে উৎসুক জনতা মনির উদ্দিন এর প্রতি অসন্তুষ প্রকাশ করেছেন।তারা আরও বলেন,এই নদীতে গ্রাম বাংলার এমন নৌকা বাইচ দেখতে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়েছে। আমরা এই নৌকা বাইচ দেখেও খুবই আনন্দ পেয়েছি।
আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এবং মানুষকে আনন্দ দিতেই প্রতি বছরের ন্যায় এবারো এই নৌকা বাচের আয়োজান করা হয়। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ঐতিহ্যবাহী এই নৌকা বাইচ আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। আবহমান গ্রাম-বাংলার কৃষ্টি ধরে রাখতে এভাবে প্রতিবছরই এখানে নৌকাবাইচের আয়োজন হবে বলে জানান তারা।
এসময় প্রধান অতিথি দরগা পাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মনির উদ্দিন বলেন, নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা দেখে খুবই মুগ্ধ হয়েছি। বহু মানুষ নৌকা বাইচ দেখতে এসেছেন। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ দেখে সত্যি খুব আনন্দিত।
Leave a Reply