বিশেষ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুরে (৩ জানুয়ারি) বুধবার রাতে ৬৭টি মোবাইল ও ৪টি ট্যাব সহ মোবাইল চোর চক্রের ৫ সদস্য কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ।
চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয় করতো এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৬৭টি মোবাইল ও ৪টি ট্যাব উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত দের সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা জগন্নাথপুরের মামুনুর রশিদ (৩৩), সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার মছকাপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে জাকের আহমদ রাজু (৩৩), হবিগঞ্জের আজমীরিগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামের মহিবুর রহমানের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৫), একই গ্রামের মৃত নানু মিয়ার ছেলে মোজাক্কির মিয়া (৩২) ও সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সোনাপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে এমরান আহমদ (৩১)।
পুলিশ সূত্রে জানাজায়, বুধবার রাতে
জগন্নাথপুর সার্কেল (এএসপি) সুভাশীষ ধর ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে হারানো ও চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধারে একাধিক বিশেষ অভিযানে পরিচালনা করে উপজেলা সদর বাজারের মোবাইল মার্কেটের দুটি মোবাইলের দোকান থেকে ৬৭টি মোবাইল ও ৪টি ট্যাব সহ ঘটনার সাথে জড়িত সঙ্ঘবদ্ধ চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ৫ সদস্য কে গ্রেপ্তার হয়।
সহকারি পুলিশ সুপার (জগন্নাথপুর সার্কেল) সুভাশীষ ধর বলেন, গত একমাস যাবত হারানো মোবাইল জিডি তদন্ত ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
৬৭টি মোবাইল ও ৪টি ট্যাব সহ ঘটনার সাথে জড়িত সঙ্ঘবদ্ধ চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ৫ সদস্য কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। তিনি বলেন
আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমাদের কাছে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মামুনুর ও জাকের দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসার আড়ালে বিভিন্ন চোরের নিকট থেকে চোরাই মোবাইল ক্রয় করে সচল অবস্থায় কিংবা মোবাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলে ব্যবসা করে আসছিল।অন্য আসামীরা বিভিন্ন জায়গায় চোরাই মোবাইল বিক্রি করতেন।
সুভাশীষ ধর আরও বলেন, ওই চক্রের সদস্যরা কয়েক ধাপে কাজটি করত। তাদের একটি অংশ শুধু মোবাইল ফোন চুরির করে আনত।এরপর একটি অংশ মোবাইল গুলো সার্ভিসিং এর দোকানের এনে দিয়ে যেত। পরে চোরাই ফোনগুলো সচল অবস্থায় বা যন্ত্রাংশ খুলে তা বিভিন্নভাবে বিক্রি করে আসছিল।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামীদের বিরুদ্ধে (এসআই) শামছুল আরেফিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
Leave a Reply