মোঃ মুকিম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার
বাজারে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেয়াজের দাম ১৫ টাকা বেড়েছে। পেঁয়াজের পাশাপাশি রসুন, আলু, আদা ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে।
পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশে পেঁয়াজ ও রসুনের আমদানি কমেছে। এ ছাড়া অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। গতকাল শনিবার জগন্নাথপুর বাজার, কলকলিয়া বাজার, মোহাম্মদগঞ্জ বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
পেঁয়াজের পাশাপাশি রসুন, আদা ও আলুর দামও বেড়েছে। বাজারে এখন দেশি পেঁয়াজই বেশি বিক্রি হয়। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার দরের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৬৩ টাকা। গতকাল বাজারভেদে ৭৫-৮০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। অর্থাৎ কেজিতে ১০- ১৫ টাকা বেড়েছে।
জগন্নাথপুর বাজারের বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ ঠিক না হলে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়তে পারে। গত রোজার ঈদের আগে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৪৫-৫৫ টাকা কেজি। সেই হিসাবে পৌনে দুই মাস সময়ে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ৬৭ শতাংশ।
বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি ও আমদানি করা উভয় প্রকার রসুনের দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। গতকাল বাজারভেদে দেশি রসুন ২০০-২১০ টাকা ও আমদানি করা রসুন ২৪০-২৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।
আরেক মসলা পণ্য আদার দামেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
চলতি মাসের শুরুতে বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি ছিল। এতে মাসের মাঝামাঝি এসে পণ্যটির দাম বেড়ে ২০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। যদিও সরবরাহ বাড়ায় ও ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে কিছু দিন আগে মরিচের দাম কমে ১২০-১৬০ টাকা কেজি হয়। কিন্তু গত কয়েক দিনে কাঁচা মরিচের দাম যেন আবার হু হু করে বেড়েছে। গতকাল খুচরা বাজারে ২০০ টাকা দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়।
এ ছাড়া আলুর দাম কেজিতে ৫-৭ টাকা বেড়েছে। গতকাল বিভিন্ন খুচরা বাজারে ৫৫-৬০ টাকা কেজি আলু বিক্রি হতে দেখা গেছে।
জগন্নাথপুর বাজারে গতকাল বাজার করতে আসেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ইমদাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘আর কয়েক দিন পর কোরবানির ঈদ। অথচ পেঁয়াজ-রসুন-আলুর মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দাম বেড়ে চলেছে। এই দাম নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আমাদের কষ্ট আরও বাড়বে।’
Leave a Reply