মোঃ মুকিম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া চন্ডিডহর রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বন্যার জলাবদ্ধতার কারনে ভেঙে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষ। মানুষের ভোগান্তির কথা ভেবে এলাকারবাসী ও এলাকার প্রবাসীদের অর্থায়নে ওই রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু করেছেন এলাকার জনসাধারণ।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দিনভর বাশের খুটি বসানো হচ্ছে রাস্তার পাশে। তবে কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এখন যানবাহন চলেনা, হেঁটে চলাচলও দুস্কর। এ অবস্থায় এলাকাবাসীর অর্থায়নে চলছে ওই রাস্তার সংস্কার কাজ।
রাস্তাটি জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের কান্দারগাঁও, নোয়াগাঁও, তেলিকোনা, কামারখাল গ্রামের। চন্ডিডহর-কলকলিয়া সড়কের চন্ডিডহর থেকে তেলিকোনা, কামারখাল, শ্রীধরপাশা, জগদীশপুর, কাদিপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে রাস্তাটি কলকলিয়া-জগন্নাথপুর- সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে গিয়ে মিলিত হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই রাস্তার যে অংশ বন্যার প্রবল স্রোতে ও ঢেউয়ে অধিকাংশ রাস্তা ভেঙে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ। চন্ডিডহর, কামারখাল, শ্রীধরপাশা, জগদীশপুর পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা এলাকা টানা বড় গর্ত ও রাস্তার একপাশ ভাঙা। ওই ভাঙা পাশের কাজ চলছে। সেখানে বাঁশ দিয়ে সারিবদ্ধ ভাবে আর বাঁধা হচ্ছে তারপর মাটি দেওয়া হবে।
শ্রীধরপাশা গ্রামের লোকজন জানান, ইউনিয়নের লোকজনের উদ্যোগে ও অত্র এলাকার প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগীতায় আজ দুদিন হয় সংস্কার কাজ হচ্ছে।
কান্তেদারগাঁও, নোয়াগাঁও, তেলিকোনা, কামারখালসহ দিরাই শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের লোকজন এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। সড়কের এ অবস্থায় ওই গ্রামগুলোর মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ওই রাস্তা দিয়ে জেলা শহর সুনামগঞ্জ, উপজেলা সদর জগন্নাথপুর, স্কুল, কলেজ ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্টান মাদ্রাসায় যেতে হয়। পাশেই সফাত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় জগদীশপুর। ওই রাস্তার দুরবস্থায় ওই বিদ্যালয়ে যেতে পারছেনা শিক্ষার্থীরা। গ্রামের ব্যবসায়ীরা মালামাল নেওয়ার জন্য ভ্যান বা অন্য যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না।
কামারখাল গ্রামের একাধিক লোকজন বলেন, গ্রামগুলোর মানুষকে বাড়ি থেকে বের হতে যে দুর্ভোগ পোহাতে হয় তা বর্ণনাতীত। এ কষ্ট দেখেই এলাকার সচেতন মানুষ এগিয়ে এসেছেন।
Leave a Reply