বিশেষ প্রতিনিধি ::
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ নং
রানীগঞ্জ ইউনিয়নের আহমদাবাদ (কুবাজপুর) গ্রামের হতদরিদ্র আফরোজ মিয়ার পুত্র
রাজন মিয়া কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজানের বাবা আফরোজ মিয়া মহামান্য আদালতের কাছে ন্যায় বিচারের দাবিতে তার ছেলে হত্যার ন্যায় বিচারের আবেদন জানালে মহামান্য আদালত তা আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন সিলেট (পিবিআই) কে নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশে (১৭ আগষ্ট) দুপুর ১২.৩০ মিনিটের সময়
পুলিশ সুপার পিবিআই সিলেট, মোঃ খালেদ উজ্জামান এর নেতৃত্বে (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক কাজী মুক্তাদির হোসেন ও সঙ্গীও ফোর্স সহ উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের আহমদাবাদ (কুবাজপুর) গ্রামে ঘটনাস্থলে সরজমিনে গিয়ে গোপনে ও প্রকাশ্যে রাণীগঞ্জ ইউপি সদস্য মোঃ মিলাদ মিয়া ও মানিত সাক্ষী সহ এলাকার অন্যান্য লোকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন। রাজন কে হত্যা করা হয়েছে না অপমৃত্যু সে বিষয়ে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে গোপনীয়তার সাথে তদন্ত করেন পুলিশ সুপার ( পিবিআই) সিলেট, মোঃ খালেদ উজ্জামান।
উল্লেখ্য যে, রাজনের বাবা আফরোজ মিয়া বাদী হয়ে একই গ্রামের খলিল চৌধুরী সহ ৮ জনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন
মামলা নং- ২৭৬/২৪ ইং।
মামলায় আসামীরা হলেন উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের আহমদাবাদ (কুবাজপুর) গ্রামের খলিল মিয়া চৌধুরী, রাভেল মিয়া চৌধুরী, সুজন মিয়া, লুবন মিয়া, ছাতির মিয়া চৌধুরী, নাঈম মিয়া চৌধুরী, সায়েক মিয়া চৌধুরী ও ইয়াওর মিয়া চৌধুরী।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর গ্রামের খলিল মিয়া চৌধুরীর বাড়ীতে নিয়মিত রোজে কামলা হিসাবে প্রায় দুই বছর যাবত কাজ করতেন একই গ্রামের আফরোজ মিয়ার পুত্র দিনমজুর রাজন মিয়া। ইদানিং বিভিন্ন অজুহাতে রাজন মিয়াকে খলিল মিয়া ও তার লোকজন কারণে-অকারণে মারপিট সহ নির্যাতন করে আসছে। সে কারণে কাজে যাইতে চাইতনা রাজন। গত ০৭/০৯/২০২৪ইং তারিখ সকাল ৮.০০ ঘটিকার সময় খলিল মিয়া রাজনের বাড়ীতে আসিয়া কাজে যাওয়ার জন্য বলিলে রাজন কাজে যাইতে রাজি হয়নি এতে খলিল মিয়া রাজন কে জোর করে কাজে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে শংকর খালী ডরে কাটা পালানোর জন্য বাধ্য করে। শংকরখালী ডরে কাটা পালাইতে বিলম্ব করায় খলিলসহ তার লোকজন রাজনকে মারপিট করে এক পর্যায়ে সে মারা যায় । বাদী অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, আসামীগন কৌশলে রাজনের লাশ শংকর খালী ডরের পানির নিচে ডুবিয়ে রাখে।
Leave a Reply