বিশেষ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের আসামপুর গ্রাম-এ সীমানা প্রাচীর ও ৩টি সিসি ক্যামেরা ভেঙ্গে অনুমান ১০ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আসামপুর গ্রামের আব্দুল বশির এর পুত্র মোঃ দুলাল মিয়াসহ ১৩ জনের নাম উল্লেথ করে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী একই গ্রামের মৃত কনা মিয়া মাষ্টারের পুত্র মুরছালিন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন সকালে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে মোঃ দুলাল মিয়া ও লোকমান মিয়ার নেতৃত্বে আসামপুর গ্রামের রুপাই মিয়া,,জসিম মিয়া, সুজিত মিয়া ,রুমন মিয়া ,জাহিদ মিয়া ,খাইরুল ইসলাম ,ফয়জুল ইসলাম , জুনেদ , সুয়েব মিয়া ,রাকিব মিয়া ,আজিজুল , মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন ব্যক্তি মুরছালিন এর মালিকানাধীন বসত বাড়িতে প্রবেশ করে বাড়ির সীমানা প্রাচীর ও সিসি ক্যামরা ভেঙে প্রায় ১০ লাখ ২০হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে।
অভিযোগে উল্লেখ করেন , বিবাদীগন অত্যন্ত উগ্র,দাঙ্গাবাজ,সন্ত্রাসী ও লাঠিয়াল প্রকৃতির লোক । কোন কোন বিবাদীগন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বিঘ্ন করিয়া গুরুতর অপরাধ সংঘটন করিয়া আসিতেছে। মুরছালিন এর বসত বাড়ীর উত্তরের বাড়ী লন্ডন প্রবাসী আবুল কালাম ও আব্দুল আলী মালিক । তাহারা বর্তমানে লন্ডনে বসবাস করছেন। তাহাদের বাড়ী দেখাশুনার দায়িত্ব দুলাল মিয়ার উপর ন্যস্ত। দীর্ঘ দিন যাবত প্রবাসী আবুল কালাম ও আব্দুল আলীর সাথে বাড়ীর সীমানা নিয়া মুরছালিনের পরিবারের বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। এই বিষয় উভয় পক্ষের সম্পতিক্রমে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারন করে সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রবাসী আবুল কালাম ও আব্দুল আলীর সম্মতিক্রমে মুরছালিন বাড়ীর উত্তর দিকে পূর্ব-পশ্চিম লম্বালম্বি অনুমান ১২০ফুট সীমানা প্রাচীর নির্মান করে। ৩ রা জুন মোঃ দুলাল মিয়া ও লোকমান মিয়ার নেতৃত্বে তাদের লোকজন অন্যায় ভাবে সীমানা দেওয়াল ও সিসি ক্যামরা ভাঙ্গিয়া ক্ষতি সাধন করে। এই সময় মুরছালিন নিরুপায় হইয়া জাতীয় আইনগত সহায়তা ৯৯৯ নাম্বারে কল করিলে জগন্নাথপুর থানা হইতে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই মুরছালিনের মালিকানা সীমানা প্রাচীর ও সিসি ক্যামরা ভেঙ্গে মোট-১০,২০,০০০/- টাকা ক্ষতি করে। পরে মুরছালিন বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ দায়েরকারী মুরছালিন জানান, আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর মোঃ দুলাল মিয়া ও তার লোকজন আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের হুমকী প্রদান করে আসছে। তাদের হুমকিতে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
Leave a Reply