আনোয়ার হোসেন রনি সুনামগঞ্জ থেকে::
সুনামগঞ্জের যাদুকাটা, মরাচেলা ও ধোপাজান চলতি নদীতে দিন-রাত চলছে অবাধে বালু লুটপাট। তিনটি নদী দেখার কেউ নেই। নৌপুলিশ, থানা পুলিশ ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তিনটি নদী থেকে শতকোটি টাকার বালু পাথর লুটপাট চালিয়েছে।
কোথাও নদীর পাড় কেটে, কোথাও নদীর বুক চিরে নৌকায় তোলা হচ্ছে বালু। কোথাও পাহাড় ও টিলার পাড় কেটে,ইজারা ও আদালতের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত জটিলতার মধ্যেও থামছে না অবৈধ উত্তোলনের অভিযোগ।
বালু লুটের আগ্রাসী তৎপরতায় হুমকির মুখে পড়েছে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ, পরিবেশ-প্রতিবেশ, ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ঝুঁকিতে রয়েছেন নদী তীরবর্তী কয়েক হাজারো মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করে আসছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হলেও বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকদের আটক কিংবা নৌকা জব্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে কার্যক্রম।
অভিযোগ রয়েছে, বালু লুটের নেপথ্যে থাকা মূল হোতাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতির স্থায়ী পরিবর্তন হচ্ছে না। তবে স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।
কিন্তু মাঠপর্যায়ে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের অভিযোগ ওঠায় প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তিন নদীতেই বালু লুটের অভিযোগ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত দিয়ে যাদুকাটা নদী, দোয়ারাবাজার-ছাতক সীমান্ত দিয়ে চেলা নদীর বিভিন্ন অংশ এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ডলুরা সীমান্ত দিয়ে ধোপাজান চলতি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। নদীগুলোর উৎপত্তি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ি এলাকায়। বিভিন্ন নামে প্রবাহিত হয়ে নদীগুলো সুরমায় মিলিত হয়েছে। এসব নদী শুধু প্রাকৃতিক সম্পদের আধার নয়, বরং স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, যোগাযোগ ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কিন্তু অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে নদীগুলোর অস্তিত্ব ও তীরবর্তী জনপদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দিন-রাত নৌকা ও শ্যালো মেশিন ব্যবহার করে বালু তোলার কারণে নদীর পাড় ভাঙছে। কোথাও বসতভিটা ও ফসলি জমি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চলাচলের রাস্তা ও বিভিন্ন স্থাপনা।
গত ৪ অক্টোবর দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের মরাচেলা নদীর কাজিরগাঁও এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর দুই দিন পর, ৬ অক্টোবর নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পরিবেশ অধিদপ্তর।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২৫ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র নয় দিনে মরাচেলা নদী থেকে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের ২৫ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে যাদুকাটা ও ধোপাজান নদীর পাড় কেটে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলনের অভিযোগেও মামলা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, মামলা ও অভিযান চলার পরও যদি নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ না হয়, তাহলে এসব পদক্ষেপের সুফল কোথায়?
মরাচেলায় পাড় কেটে বালু উত্তোলন, বাধা দিলেই হামলার অভিযোগ,হাদার টিলায় ফরেষ্ট বিভাগের জায়গা থেকে বালু ও পাথর উত্তোলন চলছে।ছাতক নৌপুলিশের ওসিকে মাসোহারা দিয়ে অবাধে চলছে লুটপাট।
গত সোমবার দোয়ারাবাজার উপজেলার সীমান্তঘেঁষা মরাচেলা নদীর পূর্ব সোনাপুর অংশে গিয়ে দেখা যায়, নদীর পাড় কেটে নৌকায় বালু তোলা হচ্ছে। নদীর তীরবর্তী নিজেদের জায়গা রক্ষায় কয়েকজন বাসিন্দাকে বাধা দিতে দেখা যায়। কিন্তু তাঁদের নিষেধ উপেক্ষা করেই বালু উত্তোলন চলতে থাকে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
এলাকাজুড়ে শ্যালো মেশিনের বিকট শব্দ, শ্রমিকদের হাঁকডাক ও নৌকার চলাচলে নদী তীরের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে নদীর পাড়,হাদার টিলা কেটে বালু তোলা হলেও সব সময় কার্যকর প্রশাসনিক নজরদারি দেখা যায় না। এতে নিজেদের বসতভিটা ও জমি রক্ষা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা।
নদীর পাড়ে ছাতা মাথায় ঘোরাফেরা করছিলেন পূর্ব সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা আমির হামজা। নিজের জমির সীমানা রক্ষায় তিনি পাহারা দিচ্ছিলেন এবং বালু উত্তোলন বন্ধ করতে শ্রমিকদের একাধিকবার নিষেধ করেছেন।
আমির হামজা অভিযোগ করে বলেন, ‘এই গ্রামের ছিদ্দিক মিয়া, তার ভাই-ভাতিজারা এইডা নিয়ন্ত্রণ করতাছে। তার সঙ্গে বাইরের আরও ২০-৩০ জন আছে। বাধা দিলেও মানে না। তারা আমিসহ আমার ভাইরে মারধর কইরা হাসপাতালে পাঠাইছে।’
পাশে থাকা একই গ্রামের বালুশ্রমিক আসগর আলীও তাঁর বক্তব্যের সমর্থন করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ছিদ্দিক, হামিদ, কাদির, মুরছালিন ও আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন জোরপূর্বক অন্যের জায়গা দখল করে বালু উত্তোলন করছেন। তাঁদের সঙ্গে ছাতক, কোম্পানীগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের সরকার দলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আসগর আলী বলেন, ‘আমরা চাই না, আমরার বাড়িঘর ভাঙ্গুক।’ তাঁর অভিযোগ, কয়েক দিন আগে এলাকাবাসী মানববন্ধন করলে শ্রমিকেরা নৌকা নিয়ে সরে যান। কিন্তু পরদিন আবারও নদীর পাড় হাদার টিলা কাটা শুরু হয়। বাধা দিতে গেলে হামলা ও মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে নদীর পাড় কাটা অব্যাহত থাকলে একসময় বসতভিটা, ফসলি জমি ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও যাদুকাটায় উদ্বেগ
সুনামগঞ্জের বৃহৎ বালুমহালগুলোর অন্যতম যাদুকাটা নদী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নদীটিতে ব্যাপক বালু লুটের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আসে।
পরে ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ছয় মাসের জন্য খাস আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বর আগের এক ইজারাদারের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তিন মাসের জন্য বালু উত্তোলন স্থগিত করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ফলে যাদুকাটা নদীর বালু উত্তোলন ও ইজারা কার্যক্রম নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইজারা ও উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকার সুযোগেও নদীর বিভিন্ন অংশে পাড় কেটে বালু নেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে সরকারের শত শত কোটি টাকার রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে নদীর পরিবেশ ও তীরবর্তী জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ধোপাজানেও থামছে না লুটপাটের অভিযোগ সুনামগঞ্জ শহরতলির ধোপাজান চলতি নদীর পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। পরিবেশ ও জনবসতি রক্ষার স্বার্থে ২০১৮ সালে ধোপাজান কোয়ারি থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের আদেশ দেন আদালত।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেখানে আবারও অবৈধ উত্তোলন শুরু হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সমালোচনা ও প্রশাসনিক তৎপরতার পর একপর্যায়ে কার্যক্রম বন্ধ হয়।
পরবর্তী সময়ে সরকারি সিদ্ধান্তে গত বছরের অক্টোবর মাসে ধোপাজানে বালু উত্তোলন শুরু হলে বিভিন্নভাবে বালু লুটের অভিযোগ সামনে আসে। উত্তোলন ও পরিবহন কার্যক্রমে অনিয়ম ঠেকাতে প্রশাসন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করে। তবুও নদী থেকে বালু সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি।
পরিবেশকর্মীদের মতে, শুধু সিসি ক্যামেরা স্থাপন কিংবা মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে নদী রক্ষা সম্ভব নয়। বালু উত্তোলনের নির্ধারিত সীমানা, পরিমাণ ও সময়সীমা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অবৈধ উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও অর্থায়নকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত অভিযান চান পরিবেশকর্মীরা
পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের ফলে ভূপ্রকৃতির পরিবর্তন হচ্ছে এবং পরিবেশ-প্রতিবেশ মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে; এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে।
তিনি বলেন, লোক দেখানো অভিযানের পরিবর্তে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া বালু লুটের মতো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, যখন যে রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতায় আসে, স্থানীয় বালু উত্তোলনকারীদের একটি অংশ তাদের ছায়ায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে। প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় এসব কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে নদী রক্ষা করা কঠিন হবে।
কাসমির রেজার মতে, নদী রক্ষায় প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান, আইনগত ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত নদীতীর পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
প্রশাসনের বক্তব্য মরাচেলা নদীতে বালু উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ বলেন, এলাকাটি ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম। সেখানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয় অনেকেই বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশার বিষয় হলো, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রতিবাদী মনোভাব তৈরি হয়েছে। নদীতীরের মানুষের প্রতিরোধ এবং টাস্কফোর্সের অভিযানের ফলে পরিস্থিতি এখন ভালো আছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান ইজারাবিহীন নদীতে বালু চুরির বিষয়টি স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, জেলার চারটি বালু মহালের মধ্যে যাদুকাটা ও মরাচেলা নিয়ে সমস্যা রয়েছে। বালু লুট ঠেকাতে প্রশাসন নিয়মিত টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করছে।
নদী বাঁচাতে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের প্রশ্ন, দিনের পর দিন নদীর পাড় কেটে বালু তোলা হলে প্রশাসনের অভিযান কতটা কার্যকর হচ্ছে? পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও বিভিন্ন দপ্তরের তৎপরতার পরও যদি অবৈধ উত্তোলনের অভিযোগ অব্যাহত থাকে, তাহলে নদী রক্ষায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন কি না, তা এখন বড় প্রশ্ন।
পরিবেশকর্মী ও নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা বলছেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত নজরদারি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী তদারকি, অবৈধ নৌকা ও যন্ত্রপাতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নদীর পাড় কেটে ক্ষতিগ্রস্ত জমি ও জনপদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
যাদুকাটা, মরাচেলা ও ধোপাজান শুধু বালুর উৎস নয়; এগুলো সুনামগঞ্জের প্রকৃতি, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার অংশ। প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে কেবল শ্রমিক আটক বা বিচ্ছিন্ন অভিযান চালালে পরিস্থিতির স্থায়ী পরিবর্তন হবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে বালু লুটের অব্যাহত আগ্রাসনে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, পরিবেশ ও তীরবর্তী জনপদ অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
Leave a Reply