বিশেষ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার
রানীগঞ্জ ইউনিয়নের আহমদাবাদ (কুবাজপুর) গ্রামের অসহায় আফরোজ মিয়ার পরিবারের উপর রাতের আঁধারে অতর্কিত হামলা করে আহত ১। মামলা সূত্রে জানা যায় গত ২৫/৮/২৫ ইং রাত ৯ ঘটিকার সময় বিবাদীগণ আমার বাড়িতে আসিয়া আমি ও আমার পরিবারবর্গ কে গালিগালাজ করে। আমিও আমার স্ত্রী চায়না বেগম তাদেরকে গালিগালাজ করিতে বাধা দিলে বিবাদীগণ উত্তেজিত হইয়া আমাদেরকে মারপিট করতে উদ্যুত হয়। তখন আমরা প্রান ভয়ে আমাদের ঘরের মধ্যে প্রবেশ করি প্রান রক্ষা করি। তখন বিবাদী খলিল মিয়া চৌধুরী তার হাতে থাকা লাঠি দিয়া আমার স্ত্রী মোসাম্মৎ চায়না বেগমের মাতা লক্ষ্য করে বারী মারিলে উক্ত বারি আমার স্ত্রীর মাথায় পরিয়া রক্তাক্ত জখম হয়। অন্যান্য বিবাদীগণ আমার স্ত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে খিল ঘুসি লাথি মারিয়া বেদনাদায়ক জপন করে। আমাদের শোর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিয়া বিবাদীদের কবল থেকে উদ্ধার করে। তখন আমি সহ কোন কোন সাক্ষীদের সহযোগিতায় আমার স্ত্রীকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করি। এ ব্যাপারে আফরোজ মিয়া বাদী হয়ে খলিল মিয়া, লুবণ মিয়া, সায়েক মিয়া, ও নাঈম মিয়া সহ চারজনকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার বাদী আফরোজ মিয়া দৈনিক বাংলা টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান আমি একজন গরিব, অসহায় মানুষ গেল বছর খলিল মিমা আমার পুত্র রাজনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গোম করার চেষ্টা করেছিল। আমি আমার পুত্র হত্যার বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করলে খলিলের পরিবার আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে থাকে এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতরাতে খলিল মিয়া আমার ফ্যামিলিকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করেছিল। আমিও আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। প্রশাসনের কাছে আমার পরিবারের নিরাপত্তা সহ বিচার দাবি করছি।
উল্লেখ্য যে খলিল মিয়া গংদের বিরুদ্ধে গত বছর আফরোজ মিয়ার পুত্র রাজন মিয়াকে হত্যার অভিযোগ এনে রাজনের বাবা বাদী হয়ে একই গ্রামের খলিল সহ ৮ জনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন
মামলা নং- ২৭৬/২৪ ইং।
Leave a Reply