মোঃ মুকিম উদ্দিন::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের উত্তর গড়গড়ি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সংঘর্ষে সেলিম মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনার পর আসামি পক্ষের পুরুষ সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় তাদের বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সংঘবদ্ধভাবে ১৫ থেকে ২০টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালা ও আলমারির তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।
আদালতে দাখিল করা মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে, বিভিন্ন বাড়ি থেকে প্রায় ১ লাখ টাকা নগদ, দেড় ভরি স্বর্ণের চেইন, ছোট বড় ১৬টি গরু, ২০টির বেশি ছাগল, অর্ধশতাধিক হাঁস-মুরগি, বাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আরও বিপুল পরিমাণ মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি ও লুট হওয়া সম্পদের মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আজমত আলীকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন।
বাদীপক্ষের দাবি, ঘটনার সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় নারী ও শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ঘরে ঢুকে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এদিকে লন্ডন প্রবাসী হাজ্বী আব্দুল জলিলের তিন ছেলে মৌ মিয়া, আজাদ মিয়া ও মুয়াজ্জিন মিয়া সহ স-পরিবারে যুক্তরাজ্যে অবস্থা করেন কিন্তু কাজল মিয়ার আত্মীয় হওয়ার সুবাদে ঘটনা হওয়ার পর আসামী আজমত আলীর লোকজন মৃত হাজ্বী আব্দুল জলিলের বসত ঘরের পিছনের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কয়েক লক্ষ টাকার গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী মৌ মিয়া।
Leave a Reply