বিশেষ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর আহমদাবাদ গ্রামের মৃত্যু শাহ নুর মিয়া চৌধুরীর পুত্র যুক্তরাজ্য প্রবাসী সাবা চৌধুরী ও মৃত্যু তছর উদ্দিন চৌধুরীর পুত্র আফাজ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ১২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বেতন ভাবত পাওনা টাকার অভিযোগ এনে একই গ্রামের মোঃ আলাল মিয়া বাদী হয়ে ৬ জনের পক্ষে গত (১লা জুলাই) আমল গ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জ মামলা দায়ের করেন মামলা নং সি আর ১৬৭/২৬ইং। মহামান্য আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মামলা তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কে আদেশ প্রদান করেন। মামলা সূত্রে জানাজায় কুবাজপুর আহমদাবাদ গ্রামের মৃত্যু শাহ নুর মিয়া চৌধুরীর গফাইখালী, বাগানবাড়ি ফিশারি , কন্ট্রোল রুম ফিশারি গুলোতে মোট ১৯ টি পুকুর সহ প্রায় ৩০০ কেদার ফসলি জমি রয়েছে। এগুলো দেখা শুনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিগত ১৬ মাস পূর্বে আফাজ চৌধুরী মাধ্যমে একই গ্রামের মৃত্যু নুর আলীর পুত্র আলাল মিয়া, মৃত্যু তাজ উল্লাহ পুত্র সাফর মিয়া, আব্দুল হেকিমের পুত্র এনামুল হক, সাফর মিয়ার পুত্র সাইফুল ইসলাম, রাশিদ উল্লাহ পুত্র নুর হেকিম, সাফর মিয়ার পুত্র দিলফর সহ মোট ৬ জনকে মাসিক বেতনের রাখা হয়। এদের মধ্যে আলাল মিয়া, সাফর মিয়া ও এনামুল হক কে থাকা খাওয়া ব্যতীত প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা এবং দিলফর, নুর হেকিম ও সাইফুলকে প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা করে বেতন ধার্য করা হয়। ১৬ মাসে ৬ জনের সর্বমোট বেতন দাঁড়ায় ২৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা এর মধ্যে শাহ চুবা চৌধুরী ও ইদুজ্জোহা চৌধুরী তিনির ম্যানেজার ইউসুফ মিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ১৪ লক্ষ টাকা আলাল মিয়া গং দের পরিশোধ করেন। বাকি ১২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা প্রবাসী সাবা চৌধুরী দেশে এসে একসাথে পরিশোধ করবে বলে আফাজ চৌধুরীর সমন্বয়ে আশ্বস্ত করেন। ঘটনার দিন গত ১৯ জুন শনিবার বিকাল ৩ ঘটিকায় সাবা চৌধুরী দেশে এসে আফাজ চৌধুরী ও তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসদের সাথে নিয়ে কন্ট্রোল রুমে এসে আলাল মিয়া সহ তাদের ছয়জনকে ডেকে এনে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ সহ মার মুখী আচরণ করে এবং টাকা দিতে অস্বীকার করে কন্ট্রোল রুম থেকে তাদেরকে বের করে দেয়। এবিষয়ে আলাল মিয়া দৈনিক দেশ বাংলা টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান আমি সহ ৬ জন গত ১৬ মাস পূর্বে সাবা চৌধুরীর সম্পত্তির রক্ষার জন্য আমরা একাধিক মামলার আসামী সহ বহুবার সন্ত্রাসী হামলার শিকার হই, এর পরও আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা করিনি, আমরা ৬ জন এ সম্পত্তি রক্ষায় নিজের জীবন বাজি রেখে কাজ করেছি। এনামুল হক ও সাফর মিয়া এ প্রতিবেদককে বলেন আমরা সাবা চৌধুরীর সম্পত্তির রক্ষার জন্য দীর্ঘ ১৬ টি মাস সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছি, কনকনে শীতের মধ্যে রাতের-রাত ফিশারিত ও সম্পত্তি রক্ষায় প্রাণপণ চেষ্টা করেছি, এমনকি আমাদের উপর একাধিক মামলা-মোকদ্দমার হয়েছে , সাফর মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আমার ৬০ বছর বয়সে এই প্রথম সাবা চৌধুরীর সম্পত্তির জন্য মামলা খেয়েছি, খলিল গং দের বিরুদ্ধে মৃত্যু শাহ নুর মিয়া চৌধুরীর সম্পত্তি রক্ষার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি আজ সাবা চৌধুরী দেশে এসে সেই খলিল গং দের কে সাথে মিলিত হয়ে, আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে,
আমাদের কষ্টের অর্জিত টাকা না দিয়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাস বাহিনী দ্বারা ভয়-ভীতি সহ আমাদেরকে হেনস্থের শিকার করছে, আমরা দেশবাসী সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনুরোধ, এ দুর্নীতিবাজ চিটারকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
Leave a Reply