মোঃ মুকিম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় ফসল রক্ষা বাঁধে পিআইসিদের দুর্নীতির কারণে বিভিন্ন বাঁধ ভেঙ্গে একের পর এক হাওর ডুবছে। ফসল রক্ষা বাঁধের পিআইসিদের বাঁচাতে কাবিটা স্কীম বাস্থবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক পাউবোর এসও ধান কাটার মিথ্যা তথ্য উত্তাপন করছেন। যা কৃষকরা মেনে নিতে পারছেন না।
১৭ এপ্রিল রোববার রাতে দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের রায়বাঙ্গালী গ্রামের পার্শ্ববর্তী সাতবিলা ৪২ নং পিআইসি বাঁধ ভেঙ্গে তলিয়ে যাচ্ছে হুরামন্দির হাওরের আধাপাকা ধান। সন্ধ্যায় বাঁধ ভাঙার খবর স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষনা দেওয়ায় পর কৃষকরা বাঁধ রক্ষায় শেষ যুদ্ধ করেও রক্ষা করতে পারেনি সাতবিলা হুরামন্দির হাওরের আধা কাচা পাকা ধান।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, এ বছর এই হাওরের ১২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। স্হানীয় কৃষকরা জানান হুরামন্দির হাওরে এখনও হাইব্রীডসহ বিভিন্ন জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান এখও পাকেনি এছাড়া আধাপাকা প্রায় ৪০/৫০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। অনেকেই ধান কাটতেই পারেননি। আজ সন্ধ্যায় সাতবিলা বাঁধের আওতায় ৪২ নং পিআইসি বেরী বাঁধ ভেঙ্গে আমাদের সোনার ফসল তলিয়ে নিয়ে যায় একমাত্র বোরো ফসল থেকেই চলে আমাদের সংসারের যাবতীয় খরচ।
দিরাই পানি উন্নয়ন বোর্ডে জানায়, হুরামন্দির হাওরের প্রায় ৭০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। এখন ও হার্ভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা চলছে।
জগদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ লাবলু বলেন, ৪২ নং পিআইসি সাতবিলা বাঁধের আওতায় হুরামন্দির হাওরে ১২ হেক্টর জমির মধ্যে ৪০/৫০ শতাংশ পাকা আধাপাকা ধান কাটা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সঠিক নয়। আমার পার্শ্ববর্তী সাতবিলা হুরামন্দির আর সকলের চোখের সামনে বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে নিমিষেই তলিয়ে গেল আমাদের একমাত্র ফসল।
Leave a Reply