মোঃ মুকিম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সুনামগঞ্জ-পাগলা-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের সাথে সংযোগ সড়ক কলকলিয়া চন্ডিডহর হতে গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের উন্নয়ন কাজে ধীরগতির কারণে জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
কামার খাল হতে শ্রীধর পাশা পর্যন্ত ৭০০ (সাতশ) মিটার মাটি খুঁড়ে ইটের খোয়া রাখায় গর্ত হয়ে কাদা জমে, সড়কটি দিয়ে স্কুল-কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, জনসাধারণসহ যানবাহন চলাচলে দুর্ভাগ হচ্ছে। কয়েক মাসে কাজের অগ্রগতি মাত্র ৪০/৫০ শতাংশ। চলতি বছরের জুনের মধ্যে সড়কটির উন্নয়ন কাজ সমাপ্তি নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয় । বিগত ২০২২ সালের বন্যায় রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় অত্র এলাকার প্রবাসীদের অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করা হয় পরবর্তীতে সড়কটি পুনঃ সংস্কারের জন্য সরকারী ভাবে অনুমোদিত হয়ে টেন্ডার হওয়ার পর টিকাদারী প্রতিষ্টান সড়কটির মাটি খুঁড়ে নিম্নমানের ইটের খোয়া ফেলে কাজটিতে লোকবল কম থাকায় কাজ ধীরগতিতে চলছে। বৃষ্টির পানিতে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গর্ত হয়ে চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির উত্তাল ঢেউয়ে রাস্তাটি ভেঙে যাচ্ছে।বর্তমানে সড়কটির কাজ বন্ধ রয়েছে। সাব কন্ট্রাক্টর কিংবা কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি।
কাজের সাইডে সাব কন্ট্রাক্টর কিংবা তার লোকজনদের আর দেখা মেলেনি। বর্তমানে সড়কটির কাজ বন্ধ রয়েছে। ফলোশ্রুতিতে সড়কটি দিয়ে রোগী নিয়ে যাতায়াতকারী যানবাহন, স্কুল-কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকসহ পথচারীদের যাতায়াত এবং দোকানদারদের মালামাল আনা নেওয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগ হচ্ছে। সড়কের এই দুরাবস্থার কারণে প্রায়ই মোটরসাইকেল আরোহীসহ পথচারীরা পড়ে দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন। উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট এলাকাবাসীর দাবী জনদুর্ভোগ লাগবে জরুরিবৃত্তিতে কাজটি সম্পন্ন করার।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, অত্র এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। প্রতিদিন সড়কটি দিয়ে কলকলিয়া শাহজালাল কলেজ, হাজি রঙ্গুম আলী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, জগন্নাথপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজ, সফাত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় জগদীশপুর, কামারখাল, শ্রীধরপাশা, জগদীশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীধরপাশা দারুলউলুম মাদ্রাসা ও উমরা মিয়া কোরেশী হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকসহ এলাকার অসংখ্য মানুষ সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া সড়কটির দু’পাশে অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং দোকানপাট রয়েছে । সড়কটিতে মাটি ইটের খোয়া ফেলে রাখায় যাতায়াতকারী যানবাহনসহ পথচারীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কামারখাল হামিদিয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার নাজিমে তালিমাত মাওলানা নুর হুসাইন জিলানী বলেন, স্কুলে আসা-যাওয়ার একটা মেইন রাস্তা প্রায় দুই তিন মাস হল ভেকু দিয়ে খুঁচা হয়েছে। কিন্তু কাজ বন্ধ আছে। এভাবে রাস্তা খুঁড়ে রাখার ফলে স্কুলের অনেক ছেলে মেয়ে দুর্ঘটনা স্বীকার হচ্ছে। স্কুলের উপস্থিতির হারও কমে গেছে।
Leave a Reply