বিশেষ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ নং রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত ছাবরু মিয়ার ছেলে ছোট মিয়া বাদি হয়ে স্বর্ণ ও টাকা লুটের অভিযোগে এনে একই গ্রামের ৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলেন কুবাজপুর নোয়াপাড়া গ্রামের ছইফ উদ্দিনের ছেলে, আখতারুজ্জামান রিয়াদ (ওরফে) রিমন (২৮) মৃত ছাবরু মিয়ার ছেলে, ছইফ উদ্দিন, (৫৫) ছইফ উদ্দিনের ছেলে, রেজওয়ান আহমদ রিজন (২৫) এ তিন জনকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় আসামিদের সাথে পূর্ব হইতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। যাহার কারণে বিবাদীগণ আমার চাচী ১ নং সাক্ষী মোছাঃ সাইদা বেগম ও আমার পরিবারের লোকজনের সাথে কারণে অকারণে ঝগড়া ও মারপিট করার সুযোগ সন্ধানে থাকে । বিষয়টি আমি এলাকার গণ্যমান্য লোকদেরকে জানাইলে বিবাদীগণ আমাদের উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়। ঘটনার দিন অর্থাৎ ৫/৯ /২০২৫ ইং রাত অনুমান ৯ ঘটিকার সময় বিবাদিগণ আমার চাচীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করিত থাকে। আমার চাচী প্রতিবাদ করিলে ১নং আসামি তাহার ছেলে ২ ও ৩নং আসামিদের হুকুম দেয় যে শালিরে জানে মেরে ফেল। হুকুম পেয়ে ২নং আসামি আখতারুজ্জামান রিয়াদ (ওরফে) রিমন, আমার চাচীর বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে তাহার চুলের মুঠি ধরে মারপিট করে । ৩নং আসামি আমার চাচীকে চড় থাপ্পর মারপিট করিয়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেদনাদায়ক জখন করে, এতে আমার স্ত্রী ২নং সাক্ষী মোছাঃ সাজনা বেগম আমার চাচীকে রক্ষার জন্য আগাইয়া আসিলে তাহাকেও খিল ঘুসি মারপিট করিয়া তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে বেদনাদায়ক জখম করে। একপর্যায়ে আসামি আমার চাচীর বসতঘরের
স্টিলের আলমিরার ড্রয়ার হইতে দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার এবং ৩নং আসামি ওয়াডট্রোপ এর ড্রয়ার থেকে নগদ ৬০০০০/ ( ষাট হাজার) টাকা নিয়ে যায়। মামলার বাদী ছোট মিয়া দৈনিক দেশ বাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান আসামিগণ আরাম আপন ভাই এবং ভাতিজা, তারা প্রায় সময় আমার চাচীকে বিনা কারণে গালিগালাজহ মারপিট করে থাকে। আমি এবং আমার পরিবার প্রতিবাদ করিলে তারা আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আমার চাচা লন্ডন প্রবাসী তিনি বয়স্ক মানুষ তাহাকে বিভিন্নভাবে ভুল বুঝিয়ে তার টাকা পয়সা সহ সম্পত্তি আত্মসাৎ এর পায়তারা করে আসছে। বিগত কয়েকদিন আগেও আমার ভাই ছইফ উদ্দিন মানুষের ঘরে কামলা দিয়ে তার সংসার পরিচালনা করত, এখন তারা হঠাৎ করে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হয়ে গেছে। আমার চাচার ক্রেডিট কার্ড আখতারুজ্জামান রিয়াদ (ওরফে) রিমন
চুরি করে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছে। সেই টাকার চুরি দায় আমার চাচীর উপর জোর করে ফালাতে চাইতেছে। আমার চাচী সহজ-সরল, আমার ভাই এবং ভাতিজাগন ষড়যন্ত্র করতেছে। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
Leave a Reply