হাবিবুর রহমান-হাবিব, শাল্লা প্রতিনিধি::
বর্ষার বিশাল নীল জলরাশি বিদায় নিতেই হাওরাঞ্চল শাল্লাজুড়ে এখন ভেসে উঠেছে উর্বর ও সোনালী পলিমাটি। দীর্ঘদিনের জলরাশির তাণ্ডব শেষে পলি পরা এই বিস্তৃত ভূমি যেন নতুন করে শ্বাস নিতে শুরু করেছে। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে দিগন্তজোড়া মাঠে জেগে উঠেছে নতুন আশা, আর হাওরজুড়ে বইছে এক নতুন জাগরণের সুর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষার ক্লান্তি ও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ পেরিয়ে দিগন্তজোড়া পলিসমৃদ্ধ মেঠো পথে এখন কৃষক-কৃষাণীদের চোখে-মুখে খেলা করছে নতুন এক ভোরের প্রত্যাশা। রোদ ও বাতাসের স্পর্শে পলি শুকিয়ে উঠতে শুরু করেছে। গ্রামের উঠোন ও ক্ষেত-খামারগুলোতে এখন থেকেই শুরু হয়েছে কৃষি তৎপরতার প্রস্তুতি।
রবিশস্য বোনা, বীজতলা প্রস্তুত করা এবং আসন্ন বোরো মৌসুমের সার্বিক কাজ ঘিরে শাল্লার প্রতিটি কৃষক পরিবারেই এখন চরম ব্যস্ততা ও উৎসবমুখর পরিবেশ। পলি শুকিয়ে চারার গন্ধে মুখরিত হতে চলেছে মেঠো প্রান্তর।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, বর্ষায় হাওর পানিতে থৈ থৈ করলেও পানি নেমে যাওয়ার পর পলিমাটিই তাদের বেঁচে থাকার প্রধান শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। এই উর্বর পলিতেই বোনা হবে আগামী দিনের স্বপ্ন, যা পুরো হাওরাঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবনের অনিশ্চয়তাকে জয় করার নতুন প্রেরণা জোগাবে।
Leave a Reply