জগন্নাথপুর প্রতিনিধি::
জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে চলছে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি। বছরে ২/৩ বার হাতি দিয়ে এইভাবে চাঁদাবাজির কারনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষ। সরজমিনে রবিবার উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের কাছে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি করতে দেখা গেছে, বাজারের একাধিক ব্যবসায়ীরা বলেন, সকাল থেকেই বাজারে একটি বড় হাতি নিয়ে প্রতিটি দোকানে হানা দেন [হাতির মালিক । প্রতি দোকান থেকে কমপক্ষে ২০ টাকা করে আদায় করা হয়। হাতি নিয়ে দোকানের সামনে এসে তারা দাঁড়ান, টাকা না দেয়া পর্যন্ত সেখান থেকে হাতি সরানো হচ্ছে না। এভাবে টাকা আদায়ের কারণে বিক্রিতেও সমস্যা হচ্ছে। কোন দোকানদার ২ টাকা বা ৫ টাকা দিলে হাতির শুড় দিয়ে দোকানের মালামাল ফেলে দেওয়ার ভয় দেখাতে দেখা গেছে। বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুই মাস, তিন মাস পরপর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাতি নিয়ে এসে চাঁদা আদায় করা হয়। বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই। দেখা যায়, বড় একটি হাতির পিঠে বসে একজন হাতিটিকে পরিচালনা করছেন। তার এই কাজে সহযোগিতা করছেন এক সহযোগী। হাতি শুড় দিয়ে দোকানীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে তার কাছাকাছি থাকা এক সহযোগীকে দিচ্ছেন। প্রতিটি দোকান থেকে হাতি দিয়ে টাকা তোলা হয়। টাকা না দেয়া পর্যন্ত দোকান থেকে হাতি সরানো হয় না। হাতি পরিচালনাকারী বলেন, একটি বড় হাতি নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে খাবারের জন্য কিছু টাকা নেয়া হয়। তবে টাকা নেয়ার সময় কাউকে জোর করা হয় না। লোকজন স্বেচ্ছায় যা দেয়, তাই নেয়া হয়।
Leave a Reply