হিফজুর রহমান তালুকদার জিয়া::
শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের টাইলা গ্রামে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে আপন ভাইয়ের পরিবারের উপর মামলা দায়ের করা হয়েছে। টাইলা গ্রামের মৃত চমক আলীর ছেলে তোফায়েল মিয়া বাদী হয়ে চলতি মাসের ২ তারিখ তার আপন ভাই মনু মিয়া ও ভাতিজা সোহমকে আসামী করে আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শান্তিগঞ্জ সুনামগঞ্জে এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং সিআর ৯২/২০২২ইং। আদালত মামলার অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করার জন্য শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশে শান্তিগঞ্জ থানা মামলাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করেন। যার নং ১, তারিখ ০৮-০৬-২০২২ইং। মামলার অভিযোগে তোফায়েল মিয়া উল্লেখ করেন তার আপন ভাই মনু মিয়ার সাথে আর্থিক লেনদেন রহিয়াছে। লেনদেনের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে কথাকাটির এক পর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে তার ছেলে জিহাদ আহত হয়। ঘটনার সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসীর অনেকের সাথে আলাপকালে জানাযায়, তোফায়েল মিয়া এলাকায় একজন মাদকসেবী ও জুয়াড়ী হিসেবে পরিচিত। তিনি এ পর্যন্ত ৪টি বিবাহ করেন। মামলায় উল্লেখিত বিবরণ সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত পক্ষে তোফায়েল মিয়ার ছেলে জিহাদ টিনে পড়ে তার হাতটি কেঁটে যায়। সাথে সাথে তোফায়েল মিয়া তার ছেলে জিহাদকে দিরাই উপজেলার রজনীগঞ্জ বাজারের মা ফার্মেসীতে প্রেমতোষ রায় এর নিকট চিকিৎসা নেন। পল্লী চিকিৎসক প্রেমতোষ রায় জানান, গত ২৭ মে সকাল ৮ ঘটিকার সময় মামলার বাদী তোফায়েল মিয়া তার ছেলে জিহাদকে নিয়ে আমার চেম্বারে আসে এবং হাত কেঁটে ফেলার বিষয়ে জানতে চাইলে তার পিতা তোফায়েল মিয়া জানান, জিহাদ টিন দিয়ে হাত কেঁটে ফেলছে। আঘাত গুরুতর না হওয়ায় আমি তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করি।
মামলার বাদী তোফায়েলের মা ছুরতুন্নেছা জানান, আমার ছেলে একজন মাদকসেবী ও জুয়াড়ি। মদ ও জুয়ার টাকার জন্য আমার ছেলে মনু মিয়া ও আমাকে গালিগালাজ করে। তার এ অপকর্মের প্রতিবাদ করায় তোফায়েল আরো হিস্্র হয়ে উঠে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে আমার ছেলে মনু ও নাতিকে হয়রানী করছে। আমার লন্ডন প্রবাসী মেয়ে মাদকসেবী তোফায়েলকে টাকা পয়সা না দিলে আমাকে ও আমার ছেলে মনু মিয়াকে গালিগালাজ করে। তার এসব কর্মকান্ডে আমরা অতিষ্ঠ। তোফায়েল-এর বৃদ্ধা মা ছুরতুন্নেছা মামলাটি সুষ্টু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনের সু-দৃষ্ঠি কামনা করছেন।
Leave a Reply