মোঃ মুকিম উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় একটি ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ ধসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে মসজিদে মসজিদে মাইকিং শুনে বিভিন্ন গ্রামের লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি ফেলে বেড়িবাঁধটি রক্ষার চেষ্টা চালান।

সোমবার রাত সাড়ে ৯ টায় এ ঘটনা ঘটে উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের দক্ষিণে এবং ভেটুখালী ও রাত সারে ৮ টার দিকে গোড়ারগাঁও নামক জায়গায় বাঁধ গুলো ঝুঁকি পূর্ণ রয়েছে । পরে বিভিন্ন মসজিদের মাইকে বেড়িবাঁধ রক্ষার ঘোষণা দেওয়া হলে চার পাঁচ গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মানুষ বেড়িবাঁধ রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ চালান।
কৃষক এলাকাবাসী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়,উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের ভেটুখালী, জগদীশপুর গ্রামের বড়খালের মুখ ও গোড়ারগাঁও গ্রামের হাওরের ফসল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করে। যার মাধ্যমে সাতটি স্পটে খালেরমুখ বন্ধ করার কথা। সোমবার রাত সাড়ে নয়টায় কাদিপুর বেটুখালী খালের বাঁধ, বারটায় জগদীশপুর বড়খালের মুখ ও আটটায় গোড়ারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের খালের মুখের বেড়িবাঁধ ধসে যায়। প্রত্যেকটি গ্রামের কৃষকদের নজরে এলে তারা প্রত্যেক গ্রামের বিভিন্ন মসজিদে মাইকিং করে বেড়িবাঁধ রক্ষার আহ্বান জানালে প্রত্যেক বাঁধে নিজ নিজ এলাকার কৃষকসহ সচেতন মানুষ বেড়িবাঁধ রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেন।

প্রত্যেক এলাকার কৃষকদের দাবী একটাই ফসল রক্ষা বাঁধে নাম মাত্র কাজ করা হয়েছে। অভিযোগ করে কৃষক রহমত আলী, শহিদুল ইসলাম, শাকির আলম, নাইম ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আনফর আলী, আবদুল আলী, আজিজুর রহমান, আবদুল করিম, শাজাহান মিয়া, রেজু মিয়া, কদ্দুস মিয়া, রেজুয়ার হোসাইন, ইব্রাহীম হোসেন, রাজিব আহমদ, সহ প্রত্যেকে অভিযোগ করে বলেন সবচেয়ে দুঃখের বিষয় আমাদের নলুয়ার হাওয় এখন বিপদ জনক অবস্থায় রয়েছে কিন্তু এসও সাহেব সরিষার তেল নাকে লাগিয়ে আরামছে ঘুমিয়ে আছেন আর এদিকে আমাদের কষ্টের ফসল তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এখন পযর্ন্ত বেড়ীবাঁধের দার কাছেও আসেনি যদি সময় মতো কাজের তদারকি করা হতো ও সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে কাজ করা হতো তাহলে কৃষকদের এমন দূর্ভোগ পুহাতে হতনা। আমরা প্রসাশনের প্রতি দাবী জানাই এসব খতিয়ে দেখার জন্য। এদিকে আমাদের সকলের প্রিয় নেতা চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের সাবেক সফল জননন্দিত ও গরীব অসহায় মানুষের চেয়ারম্যান হারুন রশীদ হারুন ভাই এবং বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বকুল ভাই সর্বক্ষণ বাঁধে আছেন এবং কাজের তদারকি করে যাচ্ছেন। এদের সরেজমিনে গেলে জানা যায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান প্রায় ৫ থেকে ৬ টি পিআইসির সাথে জগন্নাথপুর উপজেলার এসও নিজে শরিক রয়েছেন যার দরুন কাজের গুণগত মান ভালো হচ্ছে না। এ বিষয়ে খতিয়ে দেখার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অনেকেই।
Leave a Reply