হিফজুর রহমান তালুকদার জিয়া::
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীর স্বপ্নের রাণীগঞ্জ সেতুটি উদ্বোধনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। এটি সিলেট বিভাগের বৃহৎ সেতু। সেতুটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হলেও এখন লাইটিং ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ চলছে। সেতুটি যখন উদ্বোধনের দিনক্ষন ঘনিয়ে আসছে ঠিক তখনই সেতুটির উত্তর পাড়ের বিভিন্ন স্থানে অ্যাপ্রোচ সড়কটি ধ্বসে যায়। আবার কোন কোন স্হানে ধেবে যায়। অ্যাপ্রোচ সড়কটি ধ্বসে যাওয়ায় জগন্নাথপুর উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার জনসাধারনের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলা ও নিকটবর্তী জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সেতুটি দেখতে আসা অনেকেই জানান, কাজের সঠিক তদারকি না থাকায় অ্যাপ্রোচ সড়কের ঠিকাদারী প্রতিষ্টান নিম্ন মানের কাজ করেছে। যার ফলে যানবাহন চলাচল ছাড়াই সেতুটি উদ্বোধনের আগেই অ্যাপ্রোচ সড়কটি ধ্বসে যায়।
জানাযায়,
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমএম বিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ২০১৮ সালে কুশিয়ারা নদীর উপর রাণীগঞ্জ সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে।বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়
প্রায় ১শ ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি দৃষ্টি নন্দন সেতুতে রূপ নিয়েছে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষায় । তবে সেতুটির লাইটিং ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ চলছে।
সূত্র জানায়, সেতুটির অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ পায় তমা কন্সট্রাকশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্টান।সেতুটির অ্যাপ্রোচ সড়ক ধ্বসে গেলেও ইতোমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাইনাল বিলটি উত্তোলন করে নিয়েছে বলে জানা গেছে। সেতুটি উদ্বোধনের পূর্বেই অ্যাপ্রোচ সড়কটির বিভিন্ন স্হানে ধ্বসে পড়ে। তবে ধ্বসে পড়া অ্যাপ্রোচ সড়কে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের কাউকে কাজ করতে দেখা যায়নি।
কাজের তদারকিতে থাকা এসও মাসুম আহমদ জানান, ধ্বসে যাওয়া অ্যাপ্রোচ সড়কটি মেরামতের জন্য গত ৬ সেপ্টেম্বর তমা কনস্ট্রাকশনকে ই- মেইল পাঠানো হয়েছে। উদ্বোধনের আগেই রাস্তাটি মেরামত করা হবে। তবে নিম্ন মানের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়টি এড়িয়ে যান।
Leave a Reply