জগন্নাথপুর প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের বাসুদেব বাড়ি এলাকায় এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী কালী রঞ্জন নাথ বাদী হয়ে একই এলাকার মৃত রবীন্দ্র দে এর ছেলে গোবিন্দ দেব ও গোপাল দেব কে অভিযুক্ত করে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।
গত (২২জুন) দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেন, দরখাস্থকারী একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল লোক বটে। প্রক্ষান্তরে বিবাদীগন একদলভুক্ত উগ্র, দাঙ্গাবাজ লোক হয়। ১নং বিবাদী গোবিন্দ দেব একজন নেশাখোর ও প্রতারক হিসাবে এলাকায় পরিচিত। তিনি সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। গত ২০/০৬/২০২৬ ইং তারিখ রোজ শনিবার রাত অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় জগন্নাথপুর বাজার থেকে আমার ভাড়া বাসার সামনের রাস্তায় যাওয়া মাত্র ১নং বিবাদী মদ্যপান অবস্থায় আমার পথরোধ করে আমাকে অশ্লীল ও অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি এর কারন জানতে চাইলে তিনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে পেলে দিয়ে বলে যে, আমি এই পাড়ার লোকাল তুই এই পাড়ায় থাকতে হলে আমার কথামত চলতে হবে। আমি বিবাদীর এহেন কার্যকলাপের প্রতিবাদ জানালে তিনি আমাকে মারধর করতে থাকেন। এ সময় ২নং বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীগন আমাকে কিল, ঘুষি লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লিলাফুলা জখম করে। আহত অবস্থায় স্বাক্ষীগনের মাধ্যমে আমার বাসায় গিয়ে অবস্থান করলে বিবাদীরা একজোট হয়ে আমার ভাড়া বাসার প্রধান গেইট অতিক্রম করে বাসার কেচি গেইট ভেঙ্গে বসতঘরে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং আমাকে প্রাণে হত্যার জন্য উদ্যত হয়। এসময় সমূহ বিবাদীগন আমাকে এই বলিয়া হুমকী দেয় যে, এব্যাপারে কোন মামলা- মোকদ্দমা বা বিচার সালীশের দ্বারস্থ হলে শালার বেটা তোকে সুযোগ মত ফেলে হত্যা করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিব। এহেন পরিস্থিতিতে আশপাশের লোকজন ও উপস্থিত স্বাক্ষীগনের সহায়তায় আমি প্রাণে রক্ষা পাই। পরে কোনকোন স্বাক্ষীগনের সহায়তায় প্রাথমিক চিকিৎসা করাই। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহন করি। উপরোক্ত বিষয় তদন্ত হলে ঘটনার সত্যতা প্রকাশ পাইবে।
Leave a Reply