স্টাফ রিপোর্টার::
জগন্নাথপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নলজুর নদীর ভূমি দখল করে নির্মিত সানলাইট হোটেলের মালিক পক্ষ আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। আদালত মামলার তদন্ত ভার পিবিআইকে প্রদান করেন। দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই মামলাটির বিষয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়।
তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। এ ঘটনায় মামলার আসামি তিন সাংবাদিক মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ, রিয়াজ রহমান ও হিফজুর রহমান তালুকদার জিয়া’র মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে এবং স্থানীয় সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হলে তা অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের প্রবণতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহলের অনেকেই।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর জগন্নাথপুর বিদ্যুৎ অফিস বিদ্যুৎতের রাইট অব ওয়ে দখল করে অবৈধভাবে সম্প্রসারিত সানলাইট বোডিং নামীয় ভবনের অংশ অপসারনের ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিকট পত্র প্রেরন করেন। উক্ত পত্রের আলোকে তিন সংবাদিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেদের অবৈধ সম্পদ রক্ষায় সাইলাইট বোডিং এর মালিক যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোঃ ছোট মিয়ারে সৎ ভাই মোঃ মনির মিয়া নিজেকে সানলাইট হোটেলের মালিক দাবী করে আদালতে ৬লক্ষ টাকার চাঁদাদাবীর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পায়নি বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।এছাড়া ও সানলাইট আবাসিক হোটেলটিকে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী ( এলজিইডি) ও জগন্নাথপুর পৌরসভা বিভিন্ন অনিয়মের জবাব প্রদানের জন্য পৃথক- পৃথক ভাবে নোটিশ প্রদান করেন।
Leave a Reply